Dhaka Orthoniti | ঢাকা অর্থনীতি

বিনা ব্যয়ে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন ১০ হাজার কর্মী, প্রবাসীদের জন্য খুলেছে নতুন দুয়ার

ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:
দীর্ঘ আইনি জটিলতা ও স্থগিতাদেশ শেষে অবশেষে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ার অধীনে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হতে চলেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরে সে দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পর কর্মীদের জন্য এই নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে করা বিশেষ জোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে কোনো প্রকার অভিবাসন ব্যয় ছাড়াই (জিরো কস্ট) নিয়োগের ব্যাপারে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এয়ার টিকিটসহ সম্পূর্ণ ফ্রিতে গমনেচ্ছুক শ্রমিকদের এই প্রথম ব্যাচকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড’ (বোয়েসেল)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পৌঁছানো হবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে স্বাক্ষরিত দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক অনুসারে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে এজেন্সি নির্বাচনের পুরো এখতিয়ার মালয়েশীয় প্রশাসনের হাতে ন্যস্ত ছিল। এর ফলে আইনি কাঠামোর বাধ্যবাধকতা বজায় রেখেই বর্তমান সরকার আলোচনার মাধ্যমে সবচেয়ে অনুকূল শর্ত আদায় করতে সমর্থ হয়েছে।
মালয়েশিয়া সরকারের উচ্চপর্যায়ের জয়েন্ট কমিটির পুঙ্খানুপুঙ্খ বাছাই প্রক্রিয়া শেষে কর্মী প্রেরণের উদ্দেশ্যে সর্বমোট ৩৩৮টি রিক্রুটিং ও সাব-এজেন্সিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই অনুমোদিত তালিকায় মালয়েশিয়ার ক্যাবিনেট কর্তৃক স্বীকৃত ২৫টি মূল রিক্রুটিং এজেন্সির সাথে একটি সরকারি সংস্থাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের জোরালো সুপারিশের ভিত্তিতে পূর্বতন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রস্তাবিত ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা পর্যালোচনা করে বিতর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে অতিরিক্ত ৩১২টি সংস্থাকে সহযোগী সহযোগী এজেন্সি হিসেবে যুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হয়।
পাশাপাশি, বিদেশে গমনেচ্ছুক কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও মেডিক্যালের পুরো প্রক্রিয়াটিকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং দুর্নীতিমুক্ত রাখতে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

ঢাকা অর্থনীতি

কমেন্ট করুন