ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:
প্রথমার্ধে গোলের দেখা মেলেনি বায়ার্ন মিউনিখের। তবে বিরতির পরই আক্রমণের ঝড় তুলে বোদো/গ্লিম্টকে ৫-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয় জার্মান চ্যাম্পিয়নরা। জোড়া গোল করে জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন মাইকেল ওলিসে।
বৃহস্পতিবার ঘরের মাঠে খেলা শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করলেও প্রথমার্ধে কোনো গোল আদায় করতে পারেনি বায়ার্ন। একাধিক সুযোগ তৈরি হলেও বোদো/গ্লিম্টের গোলরক্ষক নিকিতা হাইকিনের দুর্দান্ত কয়েকটি সেভে হতাশ হতে হয় স্বাগতিকদের।
৩৪তম মিনিটে জসুয়া কিমিখের শট পোস্টে প্রতিহত হয়ে ফিরে আসে। এর সাত মিনিট পর গোললাইন থেকেও বায়ার্নের আরেকটি প্রচেষ্টা রুখে দেন হাইকিন। তবে চোটের কারণে বিরতির পর আর মাঠে ফিরতে পারেননি এই গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় বায়ার্ন। ৪৭তম মিনিটে হ্যারি কেইনের নেওয়া শট প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে বল চলে যায় জামাল মুসিয়ালার কাছে, আর প্রথম স্পর্শেই সেই বল জালে জড়ান তিনি।
৬১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কেইন। মাইকেল ওলিসের নিখুঁত ফ্রি-কিক থেকে দারুণ হেডে গোল করেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্নের হয়ে ৩৯ ম্যাচে এটি ছিল তার ৩৪তম গোল।
এরপর একের পর এক আক্রমণে ভেঙে পড়ে বোদো/গ্লিম্টের রক্ষণভাগ। ৭৭তম মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বল ডি-বক্সের বাইরে থেকে শক্তিশালী শটে জালে পাঠান আলফন্সো ডেভিস।
ছয় মিনিট পর নিজের প্রথম গোলটি করেন ওলিসে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত গতির শটে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান এই ফরাসি ফরোয়ার্ড।
৮৭তম মিনিটে হ্যারি কেইনকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন বোদো/গ্লিম্টের ওডিন বিয়েরটাফট। এর ফলে ম্যাচের শেষ সময়টুকু ১০ জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলতে হয় নরওয়ের দলটিকে।
যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে বায়ার্নের জয়কে ৫-০তে নিয়ে যান ওলিসে। শেষ পর্যন্ত বড় জয় দিয়েই চ্যাম্পিয়নস লিগ অভিযান শুরু করে ভিনসঁ কোম্পানির শিষ্যরা।










কমেন্ট করুন