Dhaka Orthoniti | ঢাকা অর্থনীতি
ছবি : সংগৃহীত

মিয়ানমারে চার নতুন গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান, মিলতে পারে ১০৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট মজুত

ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:

মিয়ানমারের উপকূলীয় সমুদ্রাঞ্চলে চারটি নতুন অফশোর গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে দেশটির সামরিক সরকার। সরকারের মতে, এই আবিষ্কার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নতুন গ্যাস ক্ষেত্রগুলো আয়েয়ারওয়াদি ও তানিনথারই অঞ্চলের অফশোর এলাকায় অবস্থিত। প্রাথমিক মূল্যায়নে এসব ক্ষেত্রে মোট প্রায় ১০৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) প্রাকৃতিক গ্যাস মজুত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ক্ষেত্রটি তানিনথারইয়ের গভীর সমুদ্র এলাকায়, যেখানে প্রায় ৯৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আয়েয়ারওয়াদি অঞ্চলের নতুন ক্ষেত্রটিতে প্রায় ১৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস থাকার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সরকারের দাবি, নতুন আবিষ্কৃত ব্লকগুলোর একটি আন্দামান সাগরের দক্ষিণ তানিনথারই উপকূলে কাদান দ্বীপসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত, যেখানে আগের এক প্রতিবেদনে প্রায় ৯৪ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুতের তথ্য উঠে এসেছিল। ২০১৫ সালে এই ব্লকের জন্য সিঙ্গাপুরভিত্তিক কানাডিয়ান ফরসাইট গ্রুপ এবং রাষ্ট্রীয় তেল-গ্যাস সংস্থা এমওজিই উৎপাদন-বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর করে।

মিয়ানমার সরকার জানিয়েছে, নতুন গ্যাস ক্ষেত্রগুলো থেকে উত্তোলিত জ্বালানি বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা এবং শিল্প খাতে ব্যবহার করা হবে। তবে এমওজিই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে কিছু অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ঢাকা অর্থনীতি

কমেন্ট করুন