Dhaka Orthoniti | ঢাকা অর্থনীতি
ছবি : সংগৃহীত

পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটির নিচে হলে নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না ব্যাংক

ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:

কোনো ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার কম হলে সেই ব্যাংক নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোর লভ্যাংশ বিষয়ে জারি করা এক নির্দেশনায় এ কথা জানানো হয়েছে। এই নির্দেশনা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ এবং পরবর্তী বছরগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রব স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ জারি করা ডিওএস সার্কুলার নং-০১ এবং ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ জারি করা এসপিসিডি সার্কুলার নং-০৫ অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর লভ্যাংশ বিতরণ-সংক্রান্ত নীতিমালা কার্যকর রয়েছে। ওই নীতিমালার আওতায় লভ্যাংশ ঘোষণার জন্য ব্যাংকগুলোকে কিছু অত্যাবশ্যকীয় শর্ত পরিপালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে ক্যাপিটাল কনজারভেশন বাফারসহ ন্যূনতম মূলধন সংরক্ষণ হারের ভিত্তিতে নগদ ও স্টক লভ্যাংশ প্রদানের সীমা এবং সর্বোচ্চ ডিভিডেন্ড পেআউট রেশিও নির্ধারণ করা হয়।

বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবেলার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যাংক খাতের সামগ্রিক মূলধন ভিত্তি সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব ব্যাংক সব শর্ত যথাযথভাবে পূরণ করে নগদ লভ্যাংশ দিতে সক্ষম হবে, তারা ঘোষিত মোট লভ্যাংশের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নগদে পরিশোধ করতে পারবে।

উল্লেখ্য, দেশের পুঁজিবাজারে বর্তমানে ৩৬টি ব্যাংক তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র দুটি ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার বেশি। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন এই নির্দেশনা অনুসারে পরিশোধিত মূলধন নির্ধারিত সীমায় উন্নীত না করা হলে আগামী বছর থেকে তালিকাভুক্ত ৩৪টি ব্যাংক কোনো ধরনের নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না।

ঢাকা অর্থনীতি

কমেন্ট করুন