Dhaka Orthoniti | ঢাকা অর্থনীতি

ইরানের সঙ্গে চুক্তির দ্বারপ্রান্তে ট্রাম্প, না হলে ‘ভয়াবহ ধ্বংসের’ হুমকি

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে একটি চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে দুই দেশের আলোচকরা অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

ট্রাম্প জানান, সম্ভাব্য চুক্তিটি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখবে এবং দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ‘সন্তোষজনকভাবে নিয়ন্ত্রণে’ রাখা হবে। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু সেই চুক্তিতেই স্বাক্ষর করব, যেখানে আমরা আমাদের সব দাবি পূরণ করতে পারব।’

অ্যাক্সিওসকে দেওয়া পৃথক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, শনিবার উপদেষ্টাদের সঙ্গে ইরানের সর্বশেষ খসড়া চুক্তি নিয়ে আলোচনা করবেন এবং রোববারের মধ্যে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করা হবে কিনা, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তিনি বলেন, ‘হয় আমরা ভালো একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, নয়তো আমি তাদের ভয়াবহভাবে ধ্বংস করে দেব।’

শনিবার ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান — তিন পক্ষই জানায়, প্রায় তিন মাস ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। ছয় সপ্তাহ আগে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ট্রাম্প একদিকে কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলছেন, অন্যদিকে সামরিক হামলার হুমকিও দিয়ে আসছেন। যুদ্ধবিরতির মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানো।

সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে ইরান যা বলছে

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সম্ভাব্য সমঝোতায় সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে। তবে ইরান এখনো তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো চূড়ান্ত পদক্ষেপ মেনে নেয়নি। প্রস্তাবিত চুক্তিতে হরমুজ প্রণালি-সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার জন্য ৩০ দিন এবং পারমাণবিক আলোচনার জন্য ৬০ দিনের সময়সীমার কথা বলা হয়েছে।

তেহরান জোর দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সমঝোতা তখনই কার্যকর হবে, যখন প্রথম ধাপেই ইরানের জব্দ করা অর্থের অন্তত একটি অংশ মুক্তি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বাকি অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়াও আলোচনায় স্পষ্ট করে নিতে হবে।

সূত্র: আল-জাজিরা ও রয়টার্স

ঢাকা অর্থনীতি

কমেন্ট করুন