Dhaka Orthoniti | ঢাকা অর্থনীতি
ছবি : সংগৃহীত

দুদককে আর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হতে দেওয়া যাবে না

ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:

দীর্ঘ প্রায় সাড়ে পাঁচ মাসের শূন্যতার পর নতুন চেয়ারম্যান ও সদস্য পেল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চলতি বছরের ৩ মার্চ তৎকালীন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ পদত্যাগ করলে কমিশনটি নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়ে। সোমবার নতুন নিয়োগের মধ্য দিয়ে সেই দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাসের শূন্যতা পূরণ হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে সোমবার নতুন কমিশন গঠন করা হয়। একই আদেশে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।

নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি। গত বছরের ২৫ মার্চ তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন এবং এ বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি অবসরে যান। এর আগে ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাই কোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট হাই কোর্টের বিচারপতি হিসেবে স্থায়ী হন তিনি। একজন বিচক্ষণ বিচারপতি হিসেবে তাঁর খ্যাতি রয়েছে। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে দুদক একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। নতুন কমিশনের নেতৃত্বে দুদক রাজনৈতিক স্বার্থে নয়, সত্যিকার অর্থেই দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করবে বলে জনগণ আশা করে।

রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত একটি স্বাধীন সংস্থা হিসেবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার সুযোগ তৈরি করতেই ‘দুর্নীতি দমন ব্যুরো’ বিলুপ্ত করে ‘দুর্নীতি দমন কমিশন’ গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর ২২ বছরে প্রতিষ্ঠানটি নানা সমালোচনার মুখে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারের পছন্দ অনুযায়ী দুর্নীতি মামলা দায়ের কিংবা দায়মুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাংলাদেশে দুর্নীতির ধরন নানামুখী। তবে প্রধানত দুর্নীতিকে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। একদিকে প্রতিনিয়ত সরকারি সেবা নিতে যাওয়া মানুষের অনেকে বিভিন্ন সংস্থায় গিয়ে নানাভাবে ঘুষ দিতে বাধ্য হন। অন্যদিকে রয়েছে বিভিন্ন প্রকল্পে রাজনৈতিক দুর্নীতি।

২০০৪ সালে দুদক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটিকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হলেও এক-এগারোর সময় প্রথমবারের মতো দুদককে সরকার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার শুরু করে। মইন উ আহমেদ এবং ফখরুদ্দীন আহমদের সরকার ওই সময়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল এবং বেসরকারি খাত ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে দুদককে কাজে লাগায়। দুর্নীতিবিরোধী টাস্কফোর্সের নামে সরাসরি দুদকের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা হয়। কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই তথাকথিত শীর্ষ দুর্নীতিবাজ হিসেবে বিভিন্ন রাজনীতিবিদ ও শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রকাশ করে তাঁদের সামাজিকভাবে হেয় করা হয়।

দুদকের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, শেখ হাসিনাসহ শতাধিক রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে দুর্নীতির মামলা করা হয়। দুদকের মাধ্যমে শুরু হয় প্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজি। বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে জোর করে জরিমানা আদায় করা হয়। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে যাকে অবৈধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট ওই অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। যদিও এ রায় কার্যকর হয়নি এখনো।

এভাবেই এক-এগারোর সময় দুদকের স্বাতন্ত্র্য রীতিমতো ধ্বংস করা হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সেই ধারাই অব্যাহত রাখে। ওই সময়ে দুদক পরিণত হয় আমলা পুনর্বাসন কেন্দ্রে। এসব আমলা সরকারের নির্দেশে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে হয়রানি শুরু করেন। ফখরুদ্দীন সরকারের সময়ে করা মামলাগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করিয়ে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো বহাল রাখা হয়। এসব মামলায় বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ বিএনপির শতাধিক নেতাকে সাজা দেওয়া হয়। বহু নেতা-কর্মীকে বছরের পর বছর কারাগারে থাকতে হয়।

ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর অনেকেই আশা করেছিলেন, এবার দুদক তার স্বাধীনতা ফিরে পাবে। কিন্তু ইউনূস সরকার আরও ভয়ংকরভাবে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য দুদককে ব্যবহার করে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই ১১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের কল্পিত অভিযোগ আনে। কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়, অনেকের সম্পত্তি ক্রোক করা হয় এবং বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে এভাবে হয়রানি করা সরাসরি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা ও আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এ ধরনের কর্মকাণ্ডে দুদককে বাধ্য করেন। ইউনূসের শাসনামলে সবচেয়ে বড় কালো আইন ছিল দুদক আইনের সংশোধন। এই আইন সংশোধনের মাধ্যমে আন্ডার কাভার তদন্তের নামে হয়রানি, বিচারের আগেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ এবং সম্পত্তি ক্রোক করার মতো স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ তৈরি করা হয়।

আশার বিষয়, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে এ কালো আইনটি বাতিল করেছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ গ্রহণ না করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ ওই অধ্যাদেশ ছিল সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থি। এতে তদন্ত ও বিচার ছাড়াই সম্পদ জব্দ করাসহ চরম স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। কাউকে বিনা বিচারে সাজা দেওয়া কেবল বেআইনি নয়, রীতিমতো অপরাধ। কিন্তু ইউনূস সরকার দেড় বছর অধ্যাদেশ জারি করে এ কাজটি করেছে।

তবে ইউনূসের কালো আইন বাতিল হলেও ওই আইনের আওতায় যাঁরা হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাঁরা মুক্তি পাননি। অবৈধভাবে যাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছিল, যাঁদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং যাঁদের বিচার শুরুর আগেই সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল, ইউনূসের কালো আইন বাতিলের পর এসব কর্মকাণ্ড আপনাআপনিই আইনবহির্ভূত হয়ে যায়। এরপরও ভুক্তভোগীরা এখনো প্রতিকার পাননি।

দুদকের তথ্যানুযায়ী, ইউনূসের এ কালো আইনে প্রায় দেড় হাজার ব্যবসায়ী এবং নিরীহ মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে।

তদন্ত শুরুর আগেই প্রায় এক হাজার শিল্পপতি, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশার ব্যক্তির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ৫৫ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। এর সবচেয়ে বড় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের অর্থনীতিতে। ইউনূসের এ কালো আইনের কারণে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়। অনেকে ব্যবসা বন্ধ করে দেন। এর ফলে নতুন করে বেকার হয়ে পড়ে কয়েক লাখ মানুষ। একদিকে বেকারত্ব বেড়েছে, অন্যদিকে নতুন বিনিয়োগ না হওয়ায় কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়েছে।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বহু ভালো ব্যবসায়ী নতুন করে ঋণখেলাপি হয়েছেন। খেলাপি ঋণের কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অবস্থাও আরও খারাপ হয়েছে। এভাবেই দুদকের মাধ্যমে ইউনূস দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে। দুদক পরিণত হয়েছিল ইউনূস সরকারের লাঠিয়ালে।

ওই সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও আসিফ নজরুল নিয়ন্ত্রিত দুদক কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। ইউনূস সরকারের বিদায়ের পর তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ সামনে এসেছে। ইউনূস সরকারের দেড় বছরের দুর্নীতির একটি চিত্র পাওয়া যায় সুইজারল্যান্ডের ব্যাংক প্রতিবেদনে। এক বছরের ব্যবধানে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ প্রায় ৪১ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৫ সালের হিসাব অনুসারে ওই দেশের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁ (সুইজারল্যান্ডের মুদ্রা)। ২০২৪ সালে এর পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৯ কোটি সুইস ফ্রাঁ।

অন্তর্বর্তী সরকার কোথায় দুর্নীতি করেনি? বিচারক নিয়োগ থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের পদায়নে দেড় বছরে সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে। শিশুদের হামের টিকা থেকে পুলিশের পোশাক কেলেঙ্কারি-সর্বত্র ইউনূস সরকারের দুর্নীতির চিত্র স্পষ্ট। অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের পর দুদকে ইউনূস সরকারের বেশির ভাগ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছে। আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমান খান, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ দু-একজন ছাড়া সব উপদেষ্টার বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ এখন ওপেন সিক্রেট। বিশেষ করে সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূ্ইঁয়া কেন সুইজারল্যান্ড সফর করেছিলেন সেই প্রশ্ন এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলামসহ চব্বিশের আন্দোলনে জড়িত অনেকেই ইউনূস সরকারের সময় বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে বলে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ করেছেন। ইউনূস সরকারের দেড় বছরে হওয়া দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা টিআইবিও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংঘটিত দুর্নীতির নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলছেন, জাতীয় খানা জরিপ ২০২৫-এ সেবা খাতে দুর্নীতির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

এই বাস্তবতায় সদ্য গঠিত দুদকের সামনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। একদিকে কমিশনকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিরপেক্ষভাবে লড়াই করতে হবে, অন্যদিকে দুদকের মাধ্যমে যেন কেউ অকারণে হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

নতুন কমিশনের সামনে মোটা দাগে পাঁচটি প্রধান দায়িত্ব রয়েছে। প্রথমত, দুদকে বিগত ১৭ বছরে বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এসব অভিযোগে তদন্ত ছাড়াই অনেকে হয়রানির শিকার হয়েছেন। নতুন কমিশনের প্রথম দায়িত্ব হওয়া উচিত চলমান সব তদন্ত যাচাই করা। কোনটি সত্য আর কোনটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তা খতিয়ে দেখা। বিনা অপরাধে যাঁরা বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তাঁদের স্বস্তি দেওয়া।

দ্বিতীয়ত, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের দ্রুত তদন্তের আওতায় আনা। পক্ষপাতহীন তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।

তৃতীয়ত, দুদককে একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। সাধারণ মানুষের মধ্যে এমন আস্থা তৈরি করা যে দুদক সরকারের ইচ্ছাপূরণের কোনো প্রতিষ্ঠান নয়।

চতুর্থত, পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাস্তবসম্মত ও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা।

সর্বশেষ, দুর্নীতি দমনের পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। দুদক যেন সবসময় দুর্নীতি প্রতিরোধে সক্রিয় থাকে, সে জন্য প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বাড়ানো।

দেরিতে হলেও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে দুদক গঠিত হয়েছে। দেশের মানুষ চায় বাংলাদেশ দুর্নীতিমুক্ত হোক। দুদক যেন আর রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার না হয়, সেটাই সবার প্রত্যাশা।

ঢাকা অর্থনীতি

কমেন্ট করুন