ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:
জনপ্রিয় মার্কিন অল-ফিমেল রক ব্যান্ড এল৭-এর বেস গিটারিস্ট জেনিফার ফিঞ্চ আর নেই। ব্রেন ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে শনিবার (১৮ জুলাই) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।
রোলিং স্টোনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইনস্টাগ্রামে এক বিবৃতিতে এল৭ মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানায়, “ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি, আমাদের প্রিয় ব্যান্ডসঙ্গী, বন্ধু ও সহযোদ্ধা জেনিফার ফিঞ্চ আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। ব্রেন ক্যানসারের বিরুদ্ধে তিনি দীর্ঘ ও সাহসী লড়াই করেছেন। সারা বিশ্বের বন্ধু, সহশিল্পী ও ভক্তদের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রিয়। আমরা তোমাকে ভালোবাসি, জেনিফার।”
পরের এক বিবৃতিতে ব্যান্ড জানায়, “জেনিফারের প্রাণশক্তি, রসবোধ এবং সীমাহীন সৃজনশীলতা এল৭-কে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি ছিলেন সত্যিকারের ব্যতিক্রমী একজন শিল্পী। সংগীত, শিল্প এবং যাদের জীবনে তিনি স্পর্শ রেখে গেছেন, সেই অবদান ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।”
চলতি মাসের শুরুতে জেনিফার ফিঞ্চ জানান, তার ব্রেন ক্যানসার ধরা পড়েছে এবং চিকিৎসা চলছে। শুরুতে চিকিৎসকরা ধারণা করেছিলেন রেডিয়েশন থেরাপিতেই রোগটি নিয়ন্ত্রণে আসবে, কিন্তু পরে জটিলতা দেখা দিলে একাধিক অস্ত্রোপচার করাতে হয়। অস্ত্রোপচারের পর তিনি গুরুতর শারীরিক সীমাবদ্ধতার মুখে পড়েন। এর আগে ২০১১ সালে তার থাইরয়েড ক্যানসারও ধরা পড়েছিল।
অসুস্থতার কারণে এল৭-এর ‘লাস্ট হুরাহ ট্যুর’-এর যুক্তরাষ্ট্র পর্ব থেকে সরে দাঁড়ান জেনিফার। তবে ব্যান্ডের অন্য সদস্যদের পরিকল্পনা অনুযায়ী সফর চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন তিনি।
১৯৮৫ সালে গঠিত এল৭-এ দুই বছর পর ১৯৮৭ সালে যোগ দেন জেনিফার ফিঞ্চ। ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত ব্যান্ডটির প্রথম অ্যালবাম ‘এল৭’-এ তিনি বেস গিটার বাজান এবং নব্বইয়ের দশকে ব্যান্ডটির জনপ্রিয়তার শীর্ষ সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে ১৯৯৬ সালে ৩০ বছর বয়সে ব্যান্ড ছাড়েন তিনি।
এল৭-এর বাইরে আদারস্টারপিপল ও দ্য শকার নামের দুটি ব্যান্ডেও কাজ করেছেন জেনিফার। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠা করেন নিজের রেকর্ড লেবেল লিটল পুশার রেকর্ডস এবং একজন পরিচিত আলোকচিত্রী হিসেবেও পরিচিতি পান। ২০১৫ সালে আবারও এল৭-এ ফিরে আসেন তিনি এবং ব্যান্ডটির ২০১৯ সালের অ্যালবাম ‘স্ক্যাটার দ্য র্যাটস’-এও অংশ নেন।









কমেন্ট করুন