ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভিসা বন্ড পাইলট প্রোগ্রাম’ পরিচালনার সুনির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি প্রকাশ করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। প্রতিষ্ঠানটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
দূতাবাস জানায়, এই বিশেষ কর্মসূচির অধীনে নির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরির ভিসা প্রার্থীর জন্য ভিসা প্রাপ্তির পূর্বশর্ত হিসেবে একটি আর্থিক বন্ড জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে। পরবর্তীতে ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে পূরণ করা হলে এই অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে।
ফেসবুক পোস্টে এই প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তুলে ধরে বলা হয়, ভিসা ইন্টারভিউ সম্পন্ন হওয়ার পর কোনো আবেদনকারী যদি যোগ্য বলে বিবেচিত হন, তবে কনসুলার কর্মকর্তা তাকে pay.gov ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বন্ডের অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেবেন। এই নির্দেশনা পাওয়ার পর আবেদনকারীকে অবশ্যই ৩০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এই পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় সাধারণত সর্বোচ্চ ৩ মাস মেয়াদের একক প্রবেশযোগ্য (সিঙ্গেল-এন্ট্রি) ভিসা প্রদান করা হয়ে থাকে। এর পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু প্রবেশপথ (port of entry) ব্যবহারের বাধ্যবাধকতাও আরোপ করা হতে পারে।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ভ্রমণকারী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করলে এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কোনো অননুমোদিত কর্মসংস্থানে যুক্ত না হওয়ার মতো সমস্ত শর্ত ঠিকঠাক মেনে চললে, বন্ডটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। একই সাথে জমা রাখা অর্থও ফেরত দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভিসা নীতি লঙ্ঘনের ঝুঁকি হ্রাস করা এবং সফর শেষে আবেদনকারীদের নিজ দেশে ফিরে আসা নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য। তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, এই ধরণের প্রোগ্রাম সাধারণত ঢালাওভাবে সবার জন্য নয়, বরং নির্দিষ্ট শ্রেণির ভিসা আবেদনকারীদের ওপর সীমিত পরিসরে প্রয়োগ করা হয়।










কমেন্ট করুন