Dhaka Orthoniti | ঢাকা অর্থনীতি

সকালে ব্যাটিং ধসে তিনশ রান করতে পারল না বাংলাদেশ

ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:
ম্যাচের প্রথম দিনের স্বস্তি টিকল না দ্বিতীয় দিনের এক সেশনও। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার নতুন সকালের শুরুতেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। জোমেল ওয়ারিকানের ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে মাত্র ৫১ রানে শেষ ৭ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ফলে প্রথম দিনের সংগ্রহ ২৭২ রানের সাথে মাত্র ৫৯ রান যোগ করে শেষ পর্যন্ত ২৭২ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
দিনের শুরুটা বেশ আনন্দদায়ক ছিল। দিনের দ্বিতীয় বলেই আগের দিনের অপেক্ষা ঘুচিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। তবে সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি এই বাঁহাতি ব্যাটার। অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার জশুয়া বিশপের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ২৩৪ বলে ১১টি চারের সাহায্যে ১০৫ রান করে তাঁকে সাজঘরে ফিরতে হয়।
এরপর প্রথম দিনে ৪২ রানে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়া তাওহিদ হৃদয় আজ ব্যাটিংয়ে নামলেও ব্যক্তিগত স্কোরে আর কোনো রান যোগ করতে পারেননি। বিশপের বলটিতে অহেতুক বড় শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি।
ষষ্ঠ উইকেটে প্রাথমিক চাপ সামাল দেওয়ার যৌথ চেষ্টা করেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। এই জুটি দলের খাতায় যোগ করে মূল্যবান ৩২ রান। কিন্তু এরপরই মাঠে শুরু হয় জোমেল ওয়ারিকানের স্পিন জাদু। তাঁর একটি নিখুঁত আর্ম ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ১৫ রান করা মিরাজ।
মিরাজের বিদায়ের পর পরই ব্যাটিংয়ে চরম ধস নামে। দলীয় স্কোরবোর্ডে মাত্র ১৯ রান যোগ হতেই শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। ক্যারিবীয় পেসার শামার জোসেফ একে একে হাসান মাহমুদ ও নাঈম হাসানকে শিকার করেন। এরপর ওয়ারিকান তাঁর ঘূর্ণি জাদুতে পরপর দুই বলে তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামকে আউট করে ইনিংসের ইতি টানেন।
অন্যপ্রান্তে দলের বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টায় অবিচল থাকা লিটন কুমার দাস ৪টি চারের সাহায্যে ৮৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থেকে যান। ক্যারিবীয় বোলারদের মধ্যে জোমেল ওয়ারিকান মাত্র ৫৩ রান খরচ করে একাই শিকার করেন ৫টি উইকেট, যা তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ ৫ উইকেটের কীর্তি।

ঢাকা অর্থনীতি

কমেন্ট করুন