Dhaka Orthoniti | ঢাকা অর্থনীতি

দেশের ৫ বিভাগে নতুন শিশু হাসপাতাল অনুমোদন, গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় ১ লাখ কর্মী নিয়োগের ঘোষণা

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:

দেশের পাঁচটি বিভাগে নতুন পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন করেছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শিশুদের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে গৃহীত এই মহতী উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্য খাতকে বিকেন্দ্রীকরণ ও আরও শক্তিশালী করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন মন্ত্রী।

যে ৫ বিভাগে হচ্ছে শিশু হাসপাতাল খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল ও কুমিল্লায় এই নতুন শিশু হাসপাতালগুলো স্থাপন করা হবে বলে মন্ত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে ২০০ শয্যার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই শিশু হাসপাতালগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। দেশের শিশু চিকিৎসায় এই উদ্যোগ যুগান্তকারী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি দেশে ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপনের কার্যক্রমও সমানতালে চলছে বলে তিনি জানান।

স্বাস্থ্য খাতের কাঠামোগত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি জেলায় ১০১ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। এর ফলে জেলা পর্যায়েই শিশুদের জন্য সব ধরনের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা সুনিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

গ্রামে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রায় ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বিশাল নিয়োগের মধ্যে ৮০ শতাংশ পদই নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ভ্যাকসিন সরবরাহ জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী আরও জানান, কুকুরের কামড়ের ফলে সৃষ্ট জলাতঙ্ক রোগ অত্যন্ত মারাত্মক ও প্রাণঘাতী। এই রোগ সফলভাবে প্রতিরোধ করতে বর্তমানে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭০০ ডোজ অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে এবং এই সরবরাহ প্রক্রিয়াটি সার্বক্ষণিক চলমান রয়েছে।

সংসদ সদস্য ও দেশবাসীকে পুরোপুরি আশ্বস্ত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “চার স্তরে আমরা মজুত রেখেছি। মাননীয় সংসদ সদস্যকে নিশ্চয়তা প্রদান করছি, ইনশাআল্লাহ এই আশ্বিন মাসে কুকুরে বেশি কামড়ালেও আল্লাহর রহমতে আমাদের ভ্যাকসিনের কোনও অভাব হবে না।’

ঢাকা অর্থনীতি

কমেন্ট করুন