ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:
তরুণদের ভূমিকার কারণেই দেশ আবার ঘুরে দাঁড়াতে এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পেরেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলের ভয়াবহ দুঃশাসনের মধ্যেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র নিয়ে ভেবেছেন তরুণরা এবং সাহসের সঙ্গে নিজেদের চিন্তা তুলে ধরেছেন। তাদের এই প্রচেষ্টা প্রশংসার দাবিদার।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ‘দীর্ঘ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি: রাজনীতিবিদ ও পেশাজীবীদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জনঅধিকার পার্টি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, দীর্ঘদিনের ভয়াবহ দুঃশাসনের পর ছাত্র-জনতার উত্থান ঘটে। এর প্রায় দেড় বছরের মাথায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বর্তমান সরকার। তবে উত্তরাধিকার সূত্রে ব্যাংক লুটপাট, অর্থ পাচার, আর্থিক খাতের চরম অব্যবস্থাপনা ও লুটপাটের মতো নানা সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে নতুন সরকারকে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশের ব্যাংক, বীমা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল। দেশে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যেখানে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছাই ছিল শেষ কথা। সরকারি প্লট থেকে শুরু করে কৃষিজমি ও গৃহস্থের গবাদিপশু পর্যন্ত প্রভাবশালীদের পছন্দ অনুযায়ী দখল করা হতো। তখন দেশ ছিল ভয়াবহ অন্ধকারের মধ্যে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, দেশের প্রায় ৬ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের বোঝা এখন সরকারের ওপর এসে পড়েছে। আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা ঋণের নামে লুটপাট করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। এসব অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার দায় বর্তমান বিএনপি সরকারের নয়, বরং অতীতের লুটপাটনির্ভর অর্থনীতি থেকে দেশকে পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।










কমেন্ট করুন