ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:
উচ্চশিক্ষার সার্বিক মান বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর এবং দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কৌশলগত নেতৃত্ব ও সুশাসন সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) থেকে উপাচার্যদের জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সংলাপ শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকার সাভারে অবস্থিত ব্র্যাক সিডিএম-এ দুই দিন ধরে এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনা সভা চলবে।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ (হিট) প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
ইউজিসির পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রযুক্তির বৈপ্লবিক ধারা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত বিস্তার, বিশ্ব শ্রমবাজারের আধুনিক চাহিদা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রস্তুত করা এই অনুষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সুশাসিত, অধিক উদ্ভাবনী এবং শিক্ষার্থীদের বর্তমান সময়ের উপযোগী করে গড়ে তুলতে এই সংলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দুই দিনের এই সম্মেলনে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের মোট ৬০ জন উপাচার্য অংশ নিচ্ছেন। এর পাশাপাশি সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা, শিক্ষাবিদ, দেশি-বিদেশি গবেষক, নীতিনির্ধারকসহ ইউজিসি ও হিট প্রকল্পের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিতি থাকবেন।
বিজ্ঞপ্তি সূত্রে আরও জানা যায়, এই সেশনে উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ, সুশাসন ও নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, গুণগত পাঠদান, প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা ও উদ্ভাবন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান-বিশ্ববিদ্যালয় অংশীদারিত্ব, স্বচ্ছ আর্থিক ব্যবস্থাপনা, যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন এবং তরুণদের কর্মসংস্থান তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিশদ আলোচনা হবে।
আজ সংলাপের প্রথম দিনে সকাল ১১টার মতবিনিময় অংশে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
পরদিন ২২ আগস্ট (শনিবার) বেলা ৩টায় দুই দিনব্যাপী এই নীতি সংলাপের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। সমাপনী সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পুরো অনুষ্ঠানে সভাপতির আসন অলংকৃত করবেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ।
ইউজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুই দিনের আলোচনা থেকে যেসব সুপারিশ ও মূল্যবান মতামত উঠে আসবে, তা সংকলন করে হিট প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করা হবে, যা ভবিষ্যতে দেশের উচ্চশিক্ষার টেকসই মানোন্নয়নে প্রধান গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে।










কমেন্ট করুন