ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম পে স্কেলে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ক্ষেত্রে নতুন নীতি অনুসরণের সুপারিশ করা হয়েছে। এতে উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন ও মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাবেন।
একই সঙ্গে বিদ্যমান পদ্ধতিতে সব গ্রেডে সমান হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার নিয়ম বাতিলের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। নবম পে স্কেলের খসড়া অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সম্ভাব্য বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের ৫ শতাংশ। পঞ্চম গ্রেডে ইনক্রিমেন্ট ধরা হয়েছে ৪ শতাংশ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ গ্রেডে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। দ্বিতীয় গ্রেডে ইনক্রিমেন্টের হার প্রস্তাব করা হয়েছে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং প্রথম গ্রেডের ইনক্রিমেন্ট নির্ধারিত থাকছে।
বর্তমান পে স্কেলে সব গ্রেডে গড়ে ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট কার্যকর রয়েছে। তবে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী চিকিৎসা ভাতা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৩ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সন্তানদের জন্য মাসিক শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যদিও কমিশনের সুপারিশ ছিল ২ হাজার টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রথম থেকে দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ এবং ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন সর্বোচ্চ ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
অর্থ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই নতুন পে স্কেলের মূল বেতনের পুরো অংশ সরকারি কোষাগার থেকে পরিশোধ করা হবে। আর সব ধরনের ভাতা আগামী অর্থবছরে দুই ধাপে পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে বর্তমানে চালু থাকা ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকার অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ ভাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। মূল বেতন এক লাফে দ্বিগুণ বা তারও বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় এই বিশেষ ভাতা বহাল রাখার যৌক্তিকতা থাকবে না বলে জানানো হয়েছে।










কমেন্ট করুন