ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:
২০২৮ সাল থেকে চালু হতে যাওয়া নতুন শিক্ষাক্রমে চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, চতুর্থ শ্রেণি থেকে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক দুটি বিষয় পাঠ্যক্রমে যুক্ত হবে। এছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নামে আরও দুটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো একটি বিষয়ের সঙ্গে একটি ‘বড় অধ্যায়’ সংযুক্ত হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমত বিদ্যমান শিক্ষাক্রমকে সঠিকভাবে পরিমার্জন করে, বাস্তব সম্মতভাবে এটাকে আমরা রিভাইজ করে ২০২৭ সালে দিচ্ছি। আর টোটাল চেইঞ্জ যেটা আশা করছেন, সেটা আমরা কাজ শুরু করেছি। ২০২৮ সালে গিয়ে আপনারা সেটা দেখতে পারবেন, এখন নয়। কারিকুলাম খুব সুন্দর হচ্ছে এবং চারটি নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনও নতুন শিক্ষাক্রমে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন।
মাহদী আমিন বলেন, ‘১৬ বছরের সব সমস্যা হয়ত এক দিনে এক বছরে সমাধান করা যাবে না। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা রয়েছে। যতটা দ্রুত সম্ভব আমরা প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনব। এখানে কারিকুলামের ভেতরে একটি অংশ রয়েছে, যেখানে প্রয়োজনীয় সংযোজন, বিয়োজন, পরিমার্জন করতে হবে। পাশাপাশি নতুন কিছু বিষয় আমরা যুক্ত করছি।’
তৃতীয় ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘তৃতীয় ভাষার ওপর একটা বেশ বড় ধরনের চ্যাপ্টার আমাদের এক্সিস্টিং যে ফ্রেমওয়ার্ক আছে, তার ভেতরে আসবে। সুতরাং নতুন সাবজেক্ট অ্যাড হচ্ছে চারটা। নতুন একটা এক্সপ্যান্ডেড চাপ্টার অ্যাড হবে। সেগুলো কোনোটা ক্লাস ফোর থেকে, কোনোটা ক্লাস সিক্স থেকে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।










কমেন্ট করুন