ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নীতি নির্ধারণের সর্বোচ্চ মঞ্চ জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে চারজন নতুন সদস্যকে স্থলাভিষিক্ত করায় দলীয় নেতৃত্বকে অভিবাদন জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রভাবশালী সংগঠন ‘ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (ইউট্যাব)। এর সাথে সাথে নতুন অন্তর্ভূক্ত চার সম্মানিত সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছে সংগঠনটি।
শনিবার (১৫ আগস্ট) যৌথ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান উল্লেখ করেন যে, দলের ত্যাগী, পরীক্ষিত ও প্রশাসনিকভাবে অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বদের নীতি নির্ধারণী স্থানে স্থান দেওয়ার এই যথোপযুক্ত পদক্ষেপ বিএনপিকে কাঠামোগতভাবে আরও সংহত, শক্তিশালী ও গতিশীল রূপ প্রদান করবে।
সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদ্বয় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নবনিযুক্ত চারজন সদস্য তাঁদের বিস্তৃত রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও পেশাগত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশে বিচারবিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ রূপায়ণে মূখ্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন। রাজনীতি, চিকিৎসা শাস্ত্র, সিভিল প্রশাসন এবং পেশাজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত এই নীতিনির্ধারণী সম্প্রসারণের চমৎকার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য তারা বিএনপির চেয়ারম্যান ও দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
অভিনন্দন বার্তায় নবনিযুক্ত চার সদস্যের পরিচয় ও অর্জন বিশদভাবে তুলে ধরা হয়।
অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও দপ্তর সমন্বয়ক ছিলেন। ছাত্র জীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী ভাবধারায় যুক্ত রিজভী আহমেদ বাকসু ও রাকসুর সাবেক ভিপি ছিলেন এবং নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা পালনসহ একাধিকবার কারাবরণ করেন।
আমান উল্লাহ আমান: বিএনপির চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা ও ডাকসুর সাবেক প্রশংসিত ভিপি। একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত এই অভিজ্ঞ নেতা নব্বইয়ের আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি দুবার প্রতিমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমান ঢাকা-২ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য।
অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার: দেশের অন্যতম শীর্ষ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) নির্বাহী পরিচালক। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও বিএমএসআরআই-এর চেয়ারম্যান পদে দায়িত্বরত।
মো. ইসমাইল জবিহউল্লাহ: প্রাক্তন এই জ্যেষ্ঠ আমলা সরকারের ইআরডি, সমাজকল্যাণ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অবসর পরবর্তী সময়ে বিএনপির নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি নির্বাচন পরিচালনায় সমন্বয়ক ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা পদে অধিষ্ঠিত।
ইউট্যাব নেতৃত্ব আশাবাদ ব্যক্ত করে জানায়, নবনিযুক্ত নেতাদের দূরদর্শী চিন্তা ও দিকনির্দেশনা বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক অঙ্গনে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুসংহত করার পাশাপাশি বিএনপির ভবিষ্যৎ কর্মপন্থাকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করবে।










কমেন্ট করুন