ঢাকা অর্থনীতি ডেস্ক:
এবারের বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির ম্যাজিক, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-নেইমারদের কান্নাভেজা বিদায় এবং এমবাপ্পে-হালান্ডদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ‘রেফারিং বিতর্ক’। বিশেষ করে আর্জেন্টিনার ম্যাচ পরিচালনা করা রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা তুলনামূলক বেশি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে আগামীকাল রাতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে বাঁশির দায়িত্ব পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইসমায়েল এলফাত।
নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচের একদিন আগে রেফারির নাম জানিয়েছে ফিফা। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন ইসমায়েল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রেফারি হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পরিচালনা করবেন তিনি। সহকারী হিসেবে পাচ্ছেন স্বদেশি দুই রেফারি কোরি পার্কার ও কাইল অ্যাটকিনসন। চতুর্থ রেফারির দায়িত্বে থাকবেন ইতালির মাউরিজিও মারিয়ানি এবং রিজার্ভ সহকারী রেফারি দানিয়েল বিনদোনি।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলেও জন্ম মরক্কোয় ইসমায়েলের। ২০০১ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারিতে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। ২০০৬ সালে ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং বর্তমানে অস্টিনে বসবাস করছেন।
চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন ৪৪ বছর বয়সী এই রেফারি। গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডস-জাপান ও উরুগুয়ে-স্পেন এবং শেষ ষোলোয় মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। এ পর্যন্ত মোট ৬টি হলুদ ও ১টি লাল কার্ড দেখিয়েছেন তিনি।
রেফারিং ক্যারিয়ারে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে ইসমায়েলের। ২০১২ সাল থেকে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচ পরিচালনা করে আসছেন। ২০২২ এমএলএস কাপ ফাইনাল এবং চলতি বছরের কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালেও বাঁশি বাজিয়েছেন তিনি। মাঠে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার পরিচয় দিয়ে দুইবার এমএলএসের বর্ষসেরা রেফারির পুরস্কার জিতেছেন।
ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারির তালিকায় জায়গা পান ২০১৬ সালে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ফ্রান্স-আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক ফাইনালে চতুর্থ রেফারির দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।










কমেন্ট করুন